ভারতের ইতিহাসে ‘দ্বিতীয় নারী প্রেসিডেন্ট’ পাওয়ার পথে ভারত

ভারত

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি ভারতের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।

বিজেপি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে দ্রুপদি মুরমুকে।

তিনি ওড়িশার উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ।

যদি দ্রুপদি মুরমু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তাহলে ভারতের রাজনীতির ইতিহাসে দ্বিতীয় নারী হিসেবে প্রেসিডেন্টের পদ অলঙ্করণ করবেন তিনি।

তাছাড়া ভারতের ইতিহাসে প্রথম উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে প্রেসিডেন্ট হবেন দ্রুপদি মুরমু।

এর আগে ২০০৭ সালে প্রতিভা পাটিল ভারতের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি ২০১২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

৬৪ বছর বয়সী দ্রুপদি মুরমু একজন প্রবীণ রাজনীতিবীদ। ওড়িশার বিভিন্ন সিনিয়র পদে কাজ করেছেন তিনি। আগে ছিলেন স্কুল শিক্ষক। বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারতের সংসদে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। ফলে দ্রুপদি মুরুম নিশ্চিতভাবে ভারতের রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উপজাতি সম্প্রদায়ের হওয়ায় দ্রুপদি মুরমুকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য ভোট দেবে অন্যন্য দলগুলোও।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে বিজেপির সংসদীয় বোর্ড সভা হয়। সেখানেই দ্রুপদি মুরমুকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলা হয়।

বিজেপির প্রেসিডেন্ট জে পি নাদ্দা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, তাদের মনে হয়েছে একজন উপজাতি নারীর ভারতের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে দ্রুপদি মুরমুই ভারতের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হবেন সেই আশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে বলেছেন, দ্রুপদি মুরমু সমাজসেবা, গরীবদের, নিপীড়িতদের এবং প্রান্তিক মানুষদের জীবনমান উন্নত করতে তার জীবনকে উৎসর্গ করেছেন।

টুইটে মোদি আরও বলেছেন, তার আছে দক্ষ প্রশাসনিক ও শাসক-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা। আমি নিশ্চিত তিনি আমাদের জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হবেন।

সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা, আনন্দবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *